চাহিদা স্থানীয় বাজার উদ্যোক্তা ফরম

অবশ্যই বিস্তারিত পড়ে জেনে ও বুঝে আবেদন করুন

বর্তমান সময়ে সবচেয়ে আলোচিত একটা বিষয় হচ্ছে ই-কমার্স বিজনেস, যাকে অন্য ভাবে বলে ইলেক্ট্রনিক কমার্স যা ইন্টারনেট এর মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে। বর্তমানে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য এবং দ্রুতসময়ে পণ্য প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ই-কমার্স অনেক জোরালো ভুমিকা রেখেই চলেছে। তাই এই সম্ভাবনা কে কাজে লাগানোর একটা প্রয়াস হিসেবে এই উদ্দ্যোগটি নেয়া হচ্ছে যার মুল উদ্দেশ্য শুধুই ব্যবসা করা নয় বরং সারা বাংলাদেশ এ একটা সার্ভিস চালু করা এবং তাঁর সাথে একটা সুপরিচিত ব্র্যান্ড হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা। আর সেই লক্ষেই chahida.com.bd প্রতিটি জেলা বা পৌরসভাতে “স্থানীয় বাজার এজেন্সী” প্রদান করছে।

ব্যস্ততার ফাঁকে প্রত্যেকটি মানুষ তার নিত্য পয়োজনীয় জিনিস যেন ঘরে বসে অনায়াসেই কেনাকাটা করতে পারে এমন লক্ষ্য নিয়েই “চাহিদা” এর যাত্রা শুরু করেছে। আমাদের উদ্দেশ্য একটি তা হলো, বর্তমান সময়ের তথ্য প্রযুক্তিকে পুরোপুরিভাবে কাজে লাগানো এবং সেটি সঠিক পথে। এই প্রযুক্তির যুগে যখন গোটা পৃথিবীর মানুষ ই-কমার্স অর্থাৎ অনলাইনে বাজার সদাই সহ সকল দরকারি কাজ সম্পূর্ণ করে নিজের জীবনকে গতিশীল করছে, সেখানে আমরা কেন পিছিয়ে থাকব ??? সেজন্যই প্রযুক্তির এই দুনিয়ায় chahida.com.bd থেকে “স্থানীয় বাজার এজেন্সী” নিয়ে আপনার এলাকার উন্নয়নে অবদান রাখুন এবং ব্যাক্তিগত জীবনে আর্থিক স্বচ্ছলতা নিয়ে আসুন।

এজেন্ট হতে হলে যা যা থাকতে হবে তা হলোঃ

  • নিজস্ব একটি বিজনেস রুম বা অফিস বা দোকান।
  • অনলাইন, কম্পিউটার, ওয়েবপেইজ ও ইন্টারনেট সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান।
  • নিজের প্রতিষ্ঠানে ইন্টারনেট সহ কম্পিউটার ও প্রিন্টার।
  • শুরুতে জামানত হিসেবে কোন প্রকার ফি চাহিদাকে প্রদান করতে না হলেও একটি ব্যবসা নিজ এলাকায় সফলভাবে শুরু করার আগে ব্র্যান্ডিং অতীব জরুরী (যেমনটা জরুরী একটি দোকান শুরুর আগে ডেকোরেশনের সহ আনুষঙ্গিক অনেক কিছুরই) আর তাই নিজ এলাকার প্রচারের জন্য খরচ করার মানসিকতা থাকতে হবে। যেখানে চাহিদার কোন প্রকার বাধ্যতামূলক নিতি থাকবে না।

এজেন্টগনদের কমিশন ও পাওনাঃ

  • স্থানীয় বাজার এ পণ্য বিক্রয়ের ক্ষেত্রে কোন প্রকার অর্থ চাহিদাকে প্রদান করতে হবে না। লভ্যাংশ সহ পুরো টাকাটি এজেন্টগণ গ্রহণ করবেন।
  • এজেন্টগণকে চাহিদা পয়েন্ট সেবার চুক্তি অনুযায়ী কমিশন প্রদান করা হবে।

 

কি করতে হবে আমাকে?

একটি অফিস বা দোকানে বসে ইন্টারনেট কানেকশন সহ একটি মোবাইল অথবা ল্যাপটপ মাঝে মাঝে চেক করতে হবে আপনার এলাকায় কি কি অর্ডার আসছে।
সেই অর্ডার গুলো প্রিন্ট আউট করে ডেলিভারি ম্যান কে লিস্ট দিয়ে দিবেন, সে নির্দিষ্ট হোলসেল দোকান থেকে পণ্য সংগ্রহ করে যথা সময় ডেলিভারি করবে। আপনি তা মনিটরিং করবেন। এতটুকুই কাজ আপনার।

অর্ডার কিভাবে আসবে?

চাহিদা এজেন্টশিপ এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে আপনার এলাকার বা আপনার শপের সম্পুর্ণ বিজনেস আপনার নিজস্ব। আপনার সেল কিংবা লাভ থেকে কোন অংশই চাহিদা গ্রহণ করবে না। তাই আপনার ব্যবসার জন্য প্রচারণা থেকে শুরু করে অর্ডার আনয়ন সম্পুর্ণ আপনাকেই করতে হবে। এছাড়াও আমরা সারাদেশে সেন্ট্রাল বিজ্ঞাপনের ব্যবস্থা করছি, যেমন ফেসবুক বিজ্ঞাপন, অনলাইন বিজ্ঞাপন, টিভি অ্যাড ও লোকাল পত্রিকায় পর্যায়ক্রমে প্রচারনা চালাচ্ছি। যার ফলে অনলাইন কিংবা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সরাসরি আমাদের কাস্টোমার অর্ডার কালেক্টর বা কাস্টমার সার্ভিস সেন্টারে অর্ডার আসবে এবং মেইল কিংবা ড্যাশবোর্ড নোটিফিকেশন এর মাধ্যমে সরাসরি আপনার কাছেও যাবে।

আমার লাভ কি হবে?

ধরুন, আপনি আপনার এলাকায় অল্প কিছুদিনে ১ম শ্রেণীর ১০০ কাস্টমার তৈরি করেছেন যাদের ফ্যামিলির সকল বাজার সরবরাহ করবার দায়িত্ব আপনি নিয়েছেন আর তা হচ্ছে বাজার মূল্যেই। এখন স্বাভাবিক একটি ফ্যামিলিতে প্রতি মাসে কমপক্ষে ৫-৬ হাজার টাকার বাজার তো লাগবেই। তাহলে ১০০ কাস্টমারের জন্য কমপক্ষে ৫-৬ লক্ষ টাকার বাজার সরবরাহ করতে হচ্ছে । আর এ সকল বাজার নিশ্চয়ই আপনিই পাইকারি দোকান থেকে সংগ্রহ করবেন যা থেকে আপনার লভ্যাংশ বের হবে। যার সম্পুর্ণই আপনার। অর্থাৎ কোম্পানি আপনার বিক্রয় ও আয় এর উপর কোন প্রকার কমিশন গ্রহণ করবে না। অতএব ক্রমবর্ধমানভাবে অর্ডারের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে সাথে সাথে আপনার আয়ও বৃদ্ধি পেতে থাকবে।

ইনভেস্ট কত করতে হবে?

ব্যবসা মানেই কিছু ইনভেস্ট তো থাকবেই তবে প্রযুক্তির সহযোগিতায় ভার্চুয়াল বিজনেস এর এজেন্টশিপ নিতে পারলে তেমন কোন ইনভেস্ট করতে হবে না। কিছু ইনভেস্ট করতে হবে যা আপনার নিজের এলাকার স্থানীয় বাজারকে ব্র্যান্ডিং ও প্রয়োজনীয় অফিস উপকরণ ক্রয়ে খরচ হবে। যেমন আপনাকে আপনার লোকাল কিছু ব্র্যান্ডিং এর জন্য নিজস্ব উদ্দ্যগে প্রচারণার খরচ বহন করতে হবে যাতে আপনার এলাকায় অর্ডার বৃদ্ধি পায় সেটা আপনার স্বদিচ্ছার উপর নির্ভর করছে। যে টাকা আপনি নিজে থেকেও খরচ করতে পারবেন অথবা আমাদের মাধ্যমেও করাতে পারবেন। তবে সঠিক ভাবে খরচ করানোর জন্য আমাদের মাধ্যমে করানোটাকেই রিকমেন্ড করি। একটা ট্রেডিশনাল মূদি দোকানের জন্য ১০-১৫ লক্ষ টাকা ইনভেস্ট করতে হয় আর সেখান থেকে ক্রয় করে শুধুমাত্র ওই পাড়া বা মহল্লার কাস্টমাররা। কিন্তু আপনার এই অনলাইন স্থানীয় বাজার ব্যবসাতে পুরো পৌরসভার সকলই আপনার কাস্টমার। তাই নিজের ব্যবসা বৃদ্ধির জন্য আপনি যতো প্রচারণা করবেন আপনার ততো প্রবৃদ্ধি হবে, আর সেজন্য খরচ করার মানসিকতা থাকতে হবে। এর মানে এই নয় যে চাহিদাকে এই অর্থ দিতে হবে। বরং চাহিদার মাধ্যমে করলে ব্যবিসার সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য সেখানে চাহিদা কিছু ভুর্তুকি প্রদান করবে। এটি আপনিই খরচ করবেন আপনার কাজে দ্রুত ব্যবসা বৃদ্ধির জন্য। এ নিয়ে যে কোন ধরণের সঠিক গাইডলাইন এর জন্য চাহিদা সর্বাত্বক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

“ব্যবসা শুরুর আগে অবশ্যই ১ম মাসের ফী দিয়ে শুরু করতে হবে।”

কিভাবে পরিচালনা করবো?

প্রথম অবস্থায় আপনি ৪-৫ জন পাইকারি দোকানদার যেমনঃ ফলের দোকান, সব সবজি পাওয়া যায় এমন সবজির দোকান, মাছের দোকান, মাংসের দোকান এবং মুদি দোকানের সাথে কথা বলে রাখবেন যে আমার ডেলিভারি ম্যান লিস্ট নিয়ে আপনার কাছে পণ্য নিতে আসবেন আপনি পাইকারি মূল্যে আমাদের সকল পণ্য দেবার চেষ্টা করবেন কেননা আমাদের দিনদিন ব্যপক অর্ডার বৃদ্ধি পাবে। সেই অর্ডারকৃত পণ্য নিয়ে ডেলিভারি ম্যান ডেলিভারি করবে। ডেলিভারি শেষে আপনাকে হিসাব বুঝিয়ে দিবে। প্রাথমিক অবস্থায় এইটুকু মনিটরিং করতে পারলেই হবে। যদি আপনার আগে থেকেই এই ধরণের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকে তাহলে তো আরো লাভ করতে পারবেন কিংবা নিজে থেকে যদি সকল পণ্য ষ্টক করতে পারেন তাহলে আরো অনেক ভালো ।

ডেলিভারি ম্যানের বেতন কে দিবে?

ব্যবসা যেহেতু সম্পুর্ণই আপনার তাই ডেলিভারি থেকে শুরু করে অন্যন্য সকল ব্যয় আপনাকেই বহন করতে হবে। আমরা এই ব্যপারে আপনাকে পরামর্শ হিসেবে বলতে পারি। ১ম ৩ মাস পরীক্ষামূলকভাবে ১-৩ জন ডেলিভারি ম্যান নিয়োগ দিন। পরীক্ষামূলকভাবে থাকাকালীন তাদেরকে প্রতি ডেলিভারিতে ২৫ টাকা হারে প্রদান করতে পারেন। যাতে দেখা যাচ্ছে দিনে ১০ টা ডেলিভারিও যদি করে তাহলে মাসে ৭৫০০ টা পাচ্ছে আর ১০ টা ডেলিভারি করতে সর্বোচ্চ ৪-৫ ঘন্টা লাগবে। এভাবে তারা তিনমাস কাজ করবে পরবর্তিতে সব সময়ের জন্য পার্মানেন্ট আপনার অফিসে নিযূক্ত করতে পারেন। ২০ টাকা ডেলিভারি চার্জ নিয়ে ২৫ টাকা করে দিবেন এখানে ৫ টাকা আপনার ভুর্তুকি হলেও আশাকরি ভালো ফলাফল হবে। তবে এটা সম্পুর্ণই আপনার উপর নির্ভর করবে আপনি কিভাবে নিবেন।

চাহিদা হতে যা পাবেনঃ

  • নিজ এলাকা/জোন ভিত্তিক শুধুমাত্র একজন ব্যাক্তিকে/প্রতিষ্ঠানকে চাহিদা স্থানীয় বাজারে মনোনীত এজেন্টশিপ প্রদান করা হবে।
  • সতন্ত্র এজেন্ট প্যানেল, পণ্য প্যানেল ও বিক্রয় প্যানেল সহ অর্ডার/হিসাব মনিটরিং এর ব্যবস্থা।
  • এলাকা/জোন ভিত্তিক নিজের অনলাইন গ্রোসারি শপ ব্যবস্থাপনা।
  • সারা দেশে একটি বৃহৎ ব্র্যান্ডিং এর আওতায় ও কেন্দ্রীয় ব্যানারে ব্যবসার সুযোগ।
  • ডেভেলপকৃত ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপস পরিচালনা টিম।
  • সকাল ৮ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত ১২ ঘন্টা নিরবচ্ছিন্ন এজেন্ট ও আপনার কাস্টমার এর কল সেন্টার সাপোর্ট ব্যবস্থা।
  • সারাবছর অব্যাহত কেন্দ্রীয় অনলাইন ও অফলাইন বিজ্ঞাপন ব্যবস্থা।
  • ভুর্তুকিতে লোকাল বিজ্ঞাপণের জন্য প্রচারণা মালামাল ক্রয়ের ব্যবস্থা।

চাহিদাকে যা প্রদান করতে হবেঃ
উপরোক্ত সকল সেবা গ্রহণের মাধ্যমে নিজ এলাকায় একক ব্যবসা পরিচালনার জন্য মাসিক ভিত্তিতে শুধুমাত্র ২,৫০০ টাকা সার্ভিস চার্জ স্বরূপ প্রদান করতে হবে।

করোনা বিশেষ জানতে ক্লিক করুন

শুধুই ঢাকা নয় বরং সারা দেশে ই-কমার্স ব্যবসা পরিচালনার জন্য বিভাগ, জেলা , উপজেলা বা পৌরসভা ভিত্তিক চাহিদা স্থানীয় বাজার এজেন্ট প্রদান করা হচ্ছে।

আরো বিস্তারিত জানতে সরাসরি কল করুনঃ
০৯৬৩৯১৫৫৬৬০, ০১৭০৮৫৯৭৬৫১ থেকে ২ পর্যন্ত

কিংবাঃ
০১৭০৮৫৯৭৬৫৩

প্রধান উদ্যোক্তা সমন্বয়ক

*************************************************************************************************************

করোনা বিশেষ জানতে ক্লিক করুন

চলমান করোনা সংকটে সারা দেশের মানুষ অনেকটা গৃহবন্দী হয়ে পরায় মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী ও ঔষধপত্র ক্রয়ে বড় সমস্যার সম্যুখিন হচ্ছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে, আমরা চাহিদা পরিবার এই দুর্যোগকালীন সময়ে সমস্যা নিরসনে মানুষের পাশে থাকতে চাই এবং ব্যবসায়ীক চিন্তাধারার উর্ধে একটি সেবামূলক কাজে অংশগ্রহণ করে দেশ ও জাতিকে সহায়তা করত নিজ এলাকায় একটি চলমান স্থায়ী ব্যবসায় রূপান্তরের মাধ্যমে প্রসারণ ঘটাব।

বর্তমান পরিস্থিতি অনেকটা যুদ্ধের সমান। এই যুদ্ধে আমরা চাহিদা পরিবার সহ আপনাকেও একজন মহান ই-উদ্যোক্তা/সৈনিক হিসেবে দেখতে চাই।

চাহিদার বিশেষ ছাড়:

করোনা পরিস্থিতিকালীন সময়ে বর্তমান অবস্থা বিবেচনায় চাহিদা বিশেষ ছাড় প্রদান করছে, যা ২৫০০ টাকার পরিবর্তে মাসিক ১৫০০ টাকা হারে সাবক্রিপশন চার্জ গ্রহণ করা হবে (*আগামী ১ বৎসর পর্যন্ত)। আশা করছি এর মধ্যেই করোনা পরিস্থিতি সম্পূর্ণরূপে স্বাভাবিক হয়ে যাবে আর এই ১ বছরে আপনি আপনার এলাকার ব্যবসায়ে ভালো একটি অবস্থান তৈরি করে নিতে পারবেন।

আমরা হয়তো এই ১৫০০ টাকাও নিতাম না, কিন্তু যদি করোনা মোকাবেলায় আমাদের কাজ করতে হয় সারা দেশ ব্যাপি তাহলে আমাদের কিছু বিষয়ে অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রয়োজন, যেমনঃ প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত সরঞ্জামাদি ক্রয়, জনবল বৃদ্ধি ও তাদের বেতন, ওয়ার্ক-স্পেস বৃদ্ধি, সঠিক প্রচারণা ও গণসচেতনতামূলক কিছু কাজ। এর জন্য আমাদের অনেক অর্থনৈতিক ব্যায়ের ব্যপার রয়েছে, যা সত্যিকার অর্থে আমরা হঠাৎ করে এতো ব্যয় বহন করতে পারবো না। কেননা আমরা আপনার থেকে কোন প্রকার বিক্রিয় বা মুনাফার ভাগ আমরা পাবো না। তাই অনেকটা বাধ্য হয়েই এই সিদ্ধন্তে উপনীত হয়েছি। আমরা এই মুহুর্তে আমাদের পলিসিকে পিছনে রেখে দ্রুত কাজ করতে চাই।